• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান ট্রাফিক বিভাগের ৩১ পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করলেন কেএমপি কমিশনার বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সৎপুর মাদরাসার হুসাইনিয়া ছাত্র সংসদের কমিটি গঠন ওসি গোলাম রসুলের নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির সাঁড়াশি অভিযান, ইয়াবাসহ যুবক আটক এ.এন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাঘায় ১০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষাবৃত্তি, উপহার হিসেবে অভিভাবকদের দেওয়া হলো মোবাইল ফোন চামড়া শিল্পনগরী ও ঢাকার নিরাপত্তা জোরদারে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে পিকআপ ভ্যান উপহার মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া সাইবার মামলার আসামি হেলাল ঠাকুরগাঁও ডিবির জালে, রয়েছে ৫ মাদক মামলা রামপালে ৫২ পরিবারের শিশু পুনরায় বিদ্যালয়মুখী, নেপথ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিকল্প আয়ের সুযোগ ও সুনিবিড় পর্যবেক্ষণ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন

Reporter Name / ১২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

মো. আরফান আলী, ঠাকুরগাঁও

ঠাকূরগাঁও সদর উপজেলার ৮ নম্বর রহিমানপূর ইউনিয়নের পটুয়া ফেডারেশনে অতি-দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিচালিত আল্ট্রা-পুওর গ্র্যাজুয়েশন (ইউপিজি) কর্মসূচীর আওতায় গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীকে নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঠাকূরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রাণিসম্পদ উপজেলা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইদুর রহমান, ৮ নং রহিমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান করেণ মো. আব্দুল হান্নান হান্নু।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডমিনিক বিবেরু, প্রোগ্রাম অফিসার, ঠাকুরগাঁও এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ইউপিজি কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো অতি-দরিদ্র পরিবারগুলোকে শুধু সাময়িক সহায়তা প্রদান নয়, বরং তাদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্যের চক্র থেকে বের করে এনে টেকসইভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।

কর্মসূচিী আওতায় উপকারভোগীদের সামাজিক সুরক্ষা, জীবিকায়ন উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, সম্পদ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক ও সামাজিক সেবার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে নারী উপকারভোগীদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পরিবারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণে সক্ষমতা তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অতি-দরিদ্র পরিবারকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে শুধু আর্থিক সহায়তা যথেষ্ট নয়। তাদের নিজেদের আয়, সম্পদ ও সঞ্চয় গড়ে তোলার সক্ষমতা তৈরী করতে হবে। ইউপিজি কর্মসূচী সেই লক্ষ্যেই পরিবার গুলোকে ধাপে ধাপে স্বাবলম্বী করে তুলতে কাজ করছে।

উপকারভোগীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে পরিবেশ সূরক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর প্রত্যেকের মাঝে দুটি করে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এতে মোট ২৭৮টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, উপকারভোগীদের বাড়ীর আঙ্গীনায় ও আশপাশের এলাকায় এসব চারা রোপণের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে ফলদ ও কাঠজাতীয় গাছের মাধ্যমে পরিবারগুলো উপকৃত হতে পারে।
১৩৯ জন নারী উপকারভোগীর গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়াকে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd