খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার খালিশপুরে মাসুম হাওলাদার। পিতাঃ(মৃত) মজিবুর রহমান। সাং পাবলা, থানাঃ দৌলতপুর, জেলাঃ খুলনা। সম্প্রতি এক ব্যক্তি যিনি নিজেকে “কাট আউট মাসুম” নামে পরিচয় দেন, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার এবং ইমো কলের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পরিবার আয়শা সিদ্দিকা সাথী গ্রামঃ আবু নাছের, থানাঃ খালিশপুর, জেলাঃ খুলনাকে হত্যার হুমকি, ব্ল্যাকমেইল এবং মানহানিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। স্ক্রিনশট ও কথোপকথনের ভিত্তিতে দেখা যায়, তিনি একাধিকবার মেয়েটিকে এবং তার পরিবারকে গুলি করে হত্যার হুমকি ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার ভয় দেখিয়েছেন।
মাসুম শুধু ভয়ভীতি দেখিয়েই থেমে থাকেননি, বরং অর্থ আদায়েরও চেষ্টা করেছেন। একাধিকবার উল্লেখ করেছেন তিনি টাকা নিয়েছেন এবং আরও টাকা দাবি করেছেন, তা না হলে মেয়েটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে মেয়েটিকে ‘বেশ্যা’ বানিয়ে ছাড়বেন বলেও হুমকি দিয়েছেন। এবং ইতিমধ্যে কিছু ছবি ও বানোয়াট কথাবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েও দিয়েছেন। যা এলাকাভিত্তিক মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে। যে কারণে ভুক্তভোগী পরিবার খালিশপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বিভিন্ন উৎস থেকে জানা গেছে, এই ব্যক্তি অতীতেও একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে খুন, মাদক ব্যবসা, অস্ত্র বিক্রি ও অস্ত্র তৈরি সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এত কিছুর পরও, বর্তমানে তিনি খুলনা গোয়ালখালি জাহাজের মোড়ে “বাংলাদেশ মানবাধিকার সংরক্ষণ সংস্থা ” নামে একটি অফিস পরিচালনা করছেন, যার কোন বৈধ রেজুলেশন পেপার নেই। মানবাধিকারের সভাপতি পরিচয় দিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করে আসছেন বলে ও জানা যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবিঃ
এই ধরনের অপরাধপ্রবণ ও সহিংস মানসিকতার একজন ব্যক্তি কীভাবে প্রকাশ্যে মানবাধিকার সংস্থা পরিচালনা করতে পারে, তা সত্যিই প্রশ্নবিদ্ধ। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি রাখে এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।