• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সরাইলের কালিকচ্ছের সাবেক মেম্বার মোঃ ফজল ইসলাম আর নেই এম. নুরুল ইসলাম দাদু ভাইয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটের পুরো জেলায় ঢাকের বাদ্যে বিদায়ের সুর, অশ্রুসজল চোখে মা দুর্গাকে বিদায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তে যুব মহিলা লীগের কোষাধ্যক্ষ সুলতানা আটক সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে ছয় দিনব্যাপী উৎসবের সমাপ্তি ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিমা বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন, নিরাপত্তা তদারকিতে পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন পূর্বধলায় আরতি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ পূর্বধলায় ৬৫টি পূজামণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমী সম্পন্ন রংপুরে দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিসর্জন দেওয়া হল দেবী দুর্গাকে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বনাথে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন

লালমনিরহাটের কালীবাড়িতে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট শহরের পুরান বাজারের কালীবাড়ি এলাকায় একই আঙিনায় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে মসজিদ ও মন্দির।

শত বছর ধরে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন দুই সম্প্রদায়ের মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮৩৬ সালে এখানে দুর্গামন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। এর আগে কালীমন্দির থাকায় এলাকাটি কালীবাড়ি নামে পরিচিতি পায়। পরে ১৯০০ সালে মন্দিরের পাশে একটি নামাজের ঘর নির্মাণ করা হয়, যা পরবর্তীতে পুরান বাজার জামে মসজিদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

দুই উপাসনালয়ের প্রাঙ্গণের খোলা জায়গায় দুর্গাপূজার সময় মেলা বসে। আবার একই জায়গায় মুসলমানদের ওয়াজ মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনও অনুষ্ঠিত হয়। কোনো বিরোধ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে চলে আসছে এসব আয়োজন।

মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, দুর্গাপূজার সময় ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিয়ে সমস্যা হয় না। মসজিদ ও মন্দির কমিটি বসে আলোচনা করে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর সময় নির্ধারণ করে। মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দও একই ধরনের সম্প্রীতির কথা জানান।

কালীবাড়ি মন্দিরের পুরোহিত সুমন কুমার চক্রবর্তী বলেন, “নামাজের সময় মন্দিরের সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখা হয়।”

মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “নামাজ শেষ হলে মুসল্লিরা দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে যান, যাতে পূজারীরা নির্বিঘ্নে পূজা-অর্চনা করতে পারেন।”

বিশেষ করে দুর্গাপূজার সময় এই অনন্য সহাবস্থান দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা কালীবাড়িতে আসেন।

এদিকে পরিদর্শনে এসে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, লালমনিরহাটের এই মসজিদ-মন্দিরের সহাবস্থান অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় সম্প্রীতির একটি দৃষ্টান্ত। দুই ধর্মের মানুষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের এই চিত্র সবার জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

শত বছরের এই সহাবস্থান আজও লালমনিরহাটে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd