• সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
গোয়াইনঘাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের আলোচনা সভা: অপুষ্টি দূরীকরণে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে শেরপুরে নারী সমাবেশ: মাদক, বাল্যবিবাহ ও গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতার আহ্বান ডিমলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ৭৩ ফিরকার বিভাজন নয়, চাই প্রেমের ঐক্য সিংড়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিং এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কড়া নির্দেশনা, বাড়ছে টহল ও নজরদারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে নেত্রকোণায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন গোয়াইনঘাটের আলীরগাঁও ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতনের প্লে শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সম্পূর্ণ ফ্রি প্রশিক্ষণ–২০২৬ হ্যান্ডরাইটিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক ও শপথ অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি রোধে পূর্বধলায় পুলিশের সচেতনতামূলক সমাবেশ

৭৩ ফিরকার বিভাজন নয়, চাই প্রেমের ঐক্য

Reporter Name / ৪ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

মাইজভাণ্ডারী সুফি দর্শনের আলোকে ইসলামের বিভক্তি, তরিকত ও উম্মতের মুক্তির পথ

কলাম
লেখক: মোঃ নুর ইসলাম মৃধা
এম.এ., এলএল.বি., এলএইচএমপি
গবেষক | সমাজ বিশ্লেষক | কলামিস্ট

ইসলাম কি বিভেদের জন্য এসেছিল?

ইসলাম এসেছে মানুষকে মানুষে বিভক্ত করার জন্য নয়; বরং মানুষকে তার স্রষ্টার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা, দয়া, ন্যায়, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার আলো জ্বালাতে।

আজ মুসলিম সমাজে একটি প্রশ্ন প্রায়ই উচ্চারিত হয়—“ইসলামে কত ফিরকা?” কেউ বলেন ৭৩, কেউ বলেন আরও বেশি। কেউ নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে অন্যকে ভুল বলেন, আবার কেউ নিজের মতের বাইরে থাকা মানুষকে বিদআতী, গোমরাহ কিংবা কাফির পর্যন্ত বলে বসেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

আমরা কি ৭৩ ফিরকার সংখ্যা গণনা করতে এসেছি, নাকি আল্লাহকে চিনতে এসেছি?

আমরা কি মানুষের পরিচয় খুঁজতে এসেছি, নাকি নিজের অন্তরের পরিচয় খুঁজতে এসেছি?

কুরআন আমাদের যে পথে ডাকছে, সেটি কি বিভেদের পথ—নাকি ঐক্যের পথ?

আল্লাহর রজ্জু আঁকড়ে ধরার আহ্বান

মহান আল্লাহ বলেন—

«وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا»

“তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধারণ করো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।”

—সূরা আলে ইমরান, ৩:১০৩

এই আয়াতের মধ্যে মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের একটি গভীর শিক্ষা রয়েছে।

আল্লাহ বলেননি—তোমরা একে অপরের ভুল খুঁজে বেড়াও।

আল্লাহ বলেননি—তোমরা নিজেদের দলকে বড় এবং অন্যকে ছোট করো।

বরং বলেছেন—

“বিচ্ছিন্ন হয়ো না।”

সুফি সাধনার ভাষায় বলা যায়—যে হৃদয়ে আল্লাহর প্রেম জাগে, সেই হৃদয় অন্যের প্রতি ঘৃণায় পূর্ণ হতে পারে না।

৭৩ ফিরকার হাদিস—সংখ্যার চেয়ে শিক্ষা বড়

রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সম্বন্ধিত প্রসিদ্ধ হাদিসে উম্মতের বিভক্তির কথা এসেছে। বিভিন্ন বর্ণনায় ৭৩ ফিরকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কিন্তু এই হাদিসকে কেন্দ্র করে শত শত বছর ধরে মুসলিম সমাজে নানা ব্যাখ্যা হয়েছে।

এখানে আমাদের একটি মৌলিক বিষয় মনে রাখা দরকার—

হাদিসের উদ্দেশ্য শুধু দল গুনে দেওয়া নয়; বরং বিভ্রান্তি ও বিভাজন থেকে সতর্ক করা।

যদি ৭৩ ফিরকার কথা শুনে একজন মুসলমানের হৃদয়ে অন্য মুসলমানের প্রতি ঘৃণা জন্মে, তবে সে হাদিসের সতর্কবাণী থেকে কী শিক্ষা নিল?

আর যদি সেই কথাই তাকে নিজের ঈমান, আমল, চরিত্র ও আত্মাকে সংশোধনের দিকে নিয়ে যায়—তাহলে সে হাদিসের শিক্ষা গ্রহণ করল।

সুফিবাদের প্রশ্ন: “তুমি কোন ফিরকার?” নয়—“তোমার হৃদয়ে কে?”

সুফি সাধনার অন্যতম গভীর শিক্ষা হলো তাযকিয়ায়ে নফস—অর্থাৎ আত্মশুদ্ধি।

মানুষ বাহ্যিক পরিচয় নিয়ে যত ব্যস্ত, নিজের অন্তরের রোগ নিয়ে ততটা ব্যস্ত নয়।

আমি হানাফি—এটা বলা সহজ।

আমি শাফেয়ি—এটা বলা সহজ।

আমি সুন্নি—এটা বলা সহজ।

আমি অমুক তরিকার—এটাও বলা সহজ।

কিন্তু—

আমি কি অহংকার থেকে মুক্ত?

আমি কি অন্যের হক নষ্ট করি না?

আমি কি মিথ্যা বলি না?

আমি কি গীবত করি না?

আমি কি মানুষের কষ্টে কষ্ট পাই?

আমি কি আল্লাহকে স্মরণ করি?

আমি কি রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে ভালোবাসি?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া অনেক কঠিন।

সুফি সাধক তাই মানুষের বাহ্যিক পরিচয়ের পাশাপাশি তার অন্তরের অবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

মাইজভাণ্ডারী দর্শনে প্রেমের পথ

মাইজভাণ্ডারী সুফি ঐতিহ্যে আল্লাহর প্রেম, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রেম, পীর-মুর্শিদের প্রতি আদব, জিকির, আত্মশুদ্ধি এবং মানবসেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এই ধারার আধ্যাত্মিক বোধে মানুষকে কেবল বাহ্যিক পরিচয়ে বিচার করা নয়; বরং মানুষের অন্তরে নূর, প্রেম, আদব ও মানবিকতা জাগ্রত করাই সাধনার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

একজন মানুষ যত বেশি আল্লাহর প্রেমে নিমগ্ন হবে, তার মধ্যে তত বেশি—

বিনয়, দয়া, ক্ষমা, সহনশীলতা ও মানবপ্রেম প্রকাশ পাওয়ার কথা।

কারণ প্রেমের দাবি শুধু মুখের জিকির নয়—প্রেমের প্রমাণ চরিত্রে।

পীর-মুর্শিদ কেন?

সুফি মতবাদে পীর বা মুর্শিদকে আত্মশুদ্ধির পথপ্রদর্শক হিসেবে দেখা হয়।

যেমন একজন রোগী চিকিৎসকের কাছে গিয়ে নিজের রোগের চিকিৎসা নেয়, তেমনি আত্মার রোগ—অহংকার, হিংসা, লোভ, ক্রোধ, রিয়া, কৃপণতা ও বিদ্বেষ—দূর করার জন্য আধ্যাত্মিক শিক্ষকের সান্নিধ্য গ্রহণ করা সুফি সাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য।

তবে সত্যিকারের মুর্শিদের পরিচয় শুধু বাহ্যিক পোশাকে নয়।

তার পরিচয় তার—

আখলাক, ইলম, আমল, তাকওয়া, বিনয় ও মানবপ্রেমে।

যে নিজে আল্লাহর পথে চলে এবং মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকেন—সেই আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকের সঙ্গই সুফি সাধনায় মূল্যবান।

তরিকা কি নতুন ধর্ম?

না।

কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া, সুহরাওয়ার্দিয়া, রিফাইয়া, শাজিলিয়া কিংবা মাইজভাণ্ডারিয়া—এসবকে আলাদা আলাদা ধর্ম হিসেবে দেখা উচিত নয়।

তরিকা হলো আধ্যাত্মিক সাধনার পথ।

যেমন একজন মুসলমান একই সঙ্গে—

মুসলমান + সুন্নি + হানাফি + সুফি + কাদেরিয়া

হতে পারেন।

অথবা—

মুসলমান + সুন্নি + শাফেয়ি + সুফি + চিশতিয়া

হতে পারেন।

অর্থাৎ পরিচয়ের স্তরগুলো একে অপরের সঙ্গে সম্পূর্ণ অভিন্ন নয়।

চার মাযহাবের শিক্ষা: মতভেদ মানেই শত্রুতা নয়

ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফেয়ি ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল—এই চার মহান ইমামের ফিকহি মাযহাব মুসলিম বিশ্বের বিশাল অংশ অনুসরণ করে।

তাদের মধ্যে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য ছিল।

কিন্তু ফিকহি মতপার্থক্যকে ব্যক্তিগত শত্রুতায় পরিণত করা তাদের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সুফি দৃষ্টিতে এখানেও রয়েছে একটি বড় শিক্ষা—

মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু হৃদয় যেন ভিন্ন না হয়।

রাসুলপ্রেমই হোক মুসলিম ঐক্যের কেন্দ্র

সুফি সাধনায় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি মহব্বত একটি কেন্দ্রীয় বিষয়।

আল্লাহ বলেন—

«قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ»

“বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমাকে অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।”

—সূরা আলে ইমরান, ৩:৩১

এখানে ভালোবাসা শুধু মুখের দাবি নয়।

ভালোবাসার প্রমাণ হলো অনুসরণ।

রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসি—কিন্তু মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করি।

রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসি—কিন্তু গরিবকে অবজ্ঞা করি।

রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসি—কিন্তু প্রতিবেশীর অধিকার নষ্ট করি।

রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসি—কিন্তু অন্য মুসলমানকে ঘৃণা করি।

তাহলে আমাদের ভালোবাসার দাবিকে আত্মসমালোচনার আয়নায় দেখা প্রয়োজন।

মাইজভাণ্ডারী চেতনায় মানুষ আগে, বিভেদ পরে

সুফি সাধনার অন্যতম সৌন্দর্য হলো—মানুষের প্রতি মমত্ববোধ।

ক্ষুধার্তকে খাদ্য দেওয়া।

অসহায়কে সাহায্য করা।

অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো।

বিপদগ্রস্তকে সহযোগিতা করা।

অন্যায় না করা।

ক্ষমা করতে শেখা।

অহংকার থেকে দূরে থাকা।

মানুষকে সম্মান করা।

এই মানবিক গুণগুলো ছাড়া শুধু বাহ্যিক ধর্মীয় পরিচয় একজন মানুষকে পরিপূর্ণ করে না।

মাইজভাণ্ডারী আধ্যাত্মিক চেতনার আলোকে তাই বলা যায়—

যে হৃদয়ে আল্লাহর প্রেম, সে হৃদয়ে সৃষ্টির প্রতি মমতা জন্মাবে।

“আমি সঠিক, তুমি ভুল”—এই অহংকার কতটা বিপজ্জনক?

ধর্মীয় মতপার্থক্য যখন জ্ঞানচর্চার মধ্যে থাকে, তখন তা এক ধরনের ইলমি আলোচনা হতে পারে।

কিন্তু যখন মতপার্থক্য অহংকারে পরিণত হয়, তখন সৃষ্টি হয়—

ঘৃণা, বিদ্বেষ, তাকফির, সামাজিক বিভাজন ও ভ্রাতৃত্বের সংকট।

একজন মুসলমানের নিজের বিশ্বাসকে সত্য মনে করা স্বাভাবিক।

কিন্তু নিজের মতের কারণে অন্য মুসলমানের ঈমানের বিচারক হয়ে যাওয়া অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।

কারও অন্তরের ঈমানের চূড়ান্ত বিচারক মানুষ নয়—আল্লাহ।

তাহলে ফিরকায়ে নাজিয়া কারা?

এ প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ইসলামী ইতিহাসে বহু আলোচনা রয়েছে।

একটি প্রসিদ্ধ বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পথ ও সাহাবায়ে কেরামের পথ অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।

সুতরাং একজন সুফি সাধকের কাছে নাজাতের পথ কেবল একটি দলের নাম নয়; বরং—

আল্লাহর প্রতি ঈমান, রাসুল ﷺ-এর অনুসরণ, শরিয়তের বিধান পালন, সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা, আত্মশুদ্ধি, উত্তম চরিত্র এবং মানুষের প্রতি রহমত।

কারণ ইসলাম শুধু মসজিদের ইবাদত নয়—

ইসলাম মানুষের সঙ্গে আচরণও।

সুফি পথের মূল শিক্ষা

সুফি সাধনার ভাষায় মানুষের অন্তরকে কয়েকটি বড় রোগ থেকে মুক্ত করতে হয়—

অহংকার → বিনয়

হিংসা → ভালোবাসা

লোভ → সন্তুষ্টি

ক্রোধ → ক্ষমা

রিয়া → ইখলাস

বিদ্বেষ → মমতা

দুনিয়ার মোহ → আল্লাহর স্মরণ

এই আত্মশুদ্ধির পথই তাসাউফের অন্যতম প্রাণ।

শেষ কথা: ৭৩ ফিরকা নয়, এক হৃদয়ের সন্ধান

আজ মুসলিম সমাজের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হয়তো আরেকটি নতুন বিতর্ক নয়।

প্রয়োজন—

হৃদয়ের সংস্কার।

প্রয়োজন—

রাসুলপ্রেম।

প্রয়োজন—

আল্লাহর জিকির।

প্রয়োজন—

মানবসেবা।

প্রয়োজন—

আদব।

প্রয়োজন—

অহংকার থেকে মুক্তি।

আমরা হানাফি হতে পারি, শাফেয়ি হতে পারি, মালিকি হতে পারি, হাম্বলি হতে পারি; আমরা কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া কিংবা মাইজভাণ্ডারিয়া তরিকার অনুসারী হতে পারি—কিন্তু আমাদের সবার পরিচয়ের সর্বোচ্চ বন্ধন হলো ইসলাম ও রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর উম্মত।

তাই প্রশ্নটা শুধু এমন হওয়া উচিত নয়—

“তুমি কোন ফিরকার?”

বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত—

“তোমার হৃদয়ে কতটা আল্লাহর ভয় আছে?”

“তোমার জীবনে কতটা রাসুলপ্রেম আছে?”

“তোমার আচরণে কতটা মানবতা আছে?”

“তোমার অন্তরে অন্যের জন্য কতটা ভালোবাসা আছে?”

কারণ—

«ফিরকার সংখ্যা মানুষকে গুনতে শেখায়;
আর প্রেম মানুষকে মানুষ হতে শেখায়।»

মাইজভাণ্ডারী সুফি চেতনার আলোকে তাই আমাদের আহ্বান—

বিভেদের দেয়াল ভেঙে প্রেমের দরজা খুলে দিই।

মতভেদ থাকুক, বিদ্বেষ নয়।

পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু গন্তব্য হোক আল্লাহর সন্তুষ্টি।

হৃদয়ে থাকুক আল্লাহর জিকির, মুখে দরুদ, আর হাতে মানুষের সেবা।

আল্লাহ আমাদের অন্তরকে অহংকার, হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে পবিত্র করুন এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর মহব্বত ও মানবতার আলোয় জীবন আলোকিত করুন।

আমিন।

লেখক পরিচিতি

মোঃ নুর ইসলাম মৃধা
এম.এ., এলএল.বি., এলএইচএমপি
গবেষক | সমাজ বিশ্লেষক | কলামিস্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd