• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ইটালি ইউনিয়নের পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহউদ্দিন সবুজ, দিলেন অনুদান ডিমলায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের নব-নির্বাচিত কমিটিকে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের অভিনন্দন নেত্রকোণায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মো. শরিফের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ নেত্রকোণায় সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন স্বাক্ষর করা তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পের অপব্যবহারের আশঙ্কা, আইনি সুরক্ষা চান হারাধন সূত্রধর পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গরু আটক কবিতা: দুর্গা মাতা কি দিলেন? নেত্রকোণার শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নতুন গাড়ি হস্তান্তর

নওগাঁর নিয়ামতপুর কৃষকের নিকট বিএমডিএ’র ভূগর্ভস্থ পানি বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকার

Reporter Name / ২২ Time View
Update : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

 

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নিয়ামতপুর উপজেলার বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ল কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) চলতি আমন ধানে সেচ কাজের জন্য ডিলারদের নিকট প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভূগর্ভস্থ পানি বিক্রি করেছে। সোমবার একই দিনে এ পরিমান টাকার পানি বিক্রির তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিএমডিএ নিয়ামতপুর জোনের কোষাধ্যক্ষ মাহবুব রহমান। এ দিন নিয়ামতপুর বিএমডিএ ভূগর্ভস্থ পানি বিক্রি করেছে ৪২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকার।
জানা যায়, খরা মোকাবেলায় সেচ কাজের জন্য উপজেলায় চালু রয়েছে ৬০৩ টি গভীর নলকূপ। উপজেলায় এবার ৩০ হাজার ৪শ ৪০ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হলেও গভীর নলকূপের আওতায় আমনের চাষ হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ৯শ ৫ হেক্টর জমিতে। অনাবৃষ্টির কারনে এসকল জমিতে সেচ দিতে প্রতি ঘন্টায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে হাজার হাজার কিউসেক। ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। বিকল হয়ে পড়ছে এ এলাকার হ্যন্ড টিউবয়েল। অভিযোগ রয়েছে অনেক ডিপ টিউবয়েলে পানিও উঠছেনা ঠিকমত।
বিএমডিএ’র ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের বিষয়ে কয়েকজন মন্তব্য করেন, যে ভাবে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা হচ্ছে, এমনটা চলতে থাকলে অচিরেই বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির সংকট সৃষ্টি হবে।
সরেজমিনে বিএমডিএ অফিসে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন ভেন্ডিং ডিলার পানি ক্রয়ের পে-অর্ডার নিয়ে অপেক্ষা করছেন। তাদের কারো কারো হাতে দেখা গেলা ৫০ হাজার টাকার আবার কারো হাতে ১লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকার বিএমডিএর অনূকুলে রূপালী বাংকের পে-অর্ডার। এভাবেই ডিলাররা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে পে-অর্ডারের মাধ্যমে বিএমডিএ অফিসে এসে ভেন্ডিং মেশিনে (প্রি-পেইড মিটারের কার্ড রিচার্জ মেশিন) নিয়ে যান টাকা। যা কৃষকের কাছে সেচ কাজে বিক্রি করা হবে। এভাবেই বিএমডিএ কর্তৃপক্ষ কৃষকের নিকট প্রতিদিন ভূগর্ভস্থ পানি বিক্রি করছে লক্ষ লক্ষ টাকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd